মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বিভিন্ন প্রকল্প

পানি উন্নয়ন  বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসমূহঃ

ভূমিকাঃউত্তরে এবং পূর্বে বুড়িতিস্তা নদী দ্বারা বেষ্টিত সমগ্র নীলফামারীর অঞ্চলটি  একটি আকস্মিক বন্যা তাড়িত এবং সেচ ও নিষ্কাশন এলাকারূপে পরিগণিত। নদী ভাঙ্গন, আকস্মিক বন্যা, জলাবদ্ধতা অত্র এলাকার একটি পৌনঃপুনিক সমস্যা।

নীলফামারী জেলার নদী ভাঙ্গন, আকস্মিক বন্যা ও জলাবদ্ধতা রোধকল্পে এবং উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় সেচের পানির অভাবে প্রকট শস্যহানি রোধে এবং বর্ষা ও বর্ষা উত্তর খরা মৌসুমে সেচ প্রদানের লক্ষে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, নীলফামারী পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলোঃ

 

তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পঃ

অবস্থানঃ তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প বাংলাদেশের সর্ববৄহৎ সেচ প্রকল্প  যা উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার দোয়ানী নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর  অবস্থিত । তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প (১ম পর্যায়) নীলফামারী জেলার ৫টি উপজেলা ( নীলফামারী সদর, জলঢাকা, সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ ও ডিমলা), রংপুর জেলার ৪টি উপজেলা (রংপুর সদর, গঙ্গাচড়া,বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ) এবং দিনাজপুর জেলার ৩টি উপজেলা (চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর ও খানসামা) নিয়ে বিস্তৄত।

আয়তনঃমোট প্রকল্প এলাকা ১,৫৪,২৫০ হেক্টর (বাস্তবায়িত ১,২৬,৩১০ হেক্টর) এবং সেচযোগ্য এলাকা ১,১১,৪০৬ হেক্টর ।

পটভূমিঃউত্তর বঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় সেচের পানির  অভাবে প্রকট শস্যহানি একটি চিরন্তন সমস্যা। শুস্ক মৌসুমে তো বটেই, আমন মৌসুমেও বর্ষা এবং বর্ষাত্তোরকালে খরা একটি সাংবাৎসরিক ঘটনা। প্রকল্প এলাকায় সেচের পানির প্রাপ্ততা খুবই সীমিত। একমাত্র তিস্তা ছাড়া অন্যান্য ছোট নদী এবং খালে পানির প্রবাহ খুবই কম এবং অনিশ্চিত। তাই তিস্তা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণ পূর্বক অত্র অঞ্চলে গ্রাভিটি পদ্ধতিতে একটি সেচ প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা বৃটিশ আমল (১৯৪৫) হতেই অনুভূত হয়। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীগণ কর্তৄক প্রকল্পের সম্ভাব্যতা প্রতিবেদন অনুবেক্ষণ পূর্বক সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি এবং জনবলদ্বারা নতুন জরীপ ও বিস্তারিত পরিকল্পনা ও ডিজাইন প্রনয়ন করা হয় এবং মডেল স্টাডির ভিত্তিতে দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারেজ এর বর্তমান স্থান নির্ধারন করা হয়।

উদ্দেশ্য ও  লক্ষ্যঃ সম্পূরক সেচের মাধ্যমে কৄষি উৎপাদন বৄদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা তথা দারিদ্র্য বিমোচন এ প্রকল্পের মূল উদ্দশ্য । নিষ্কাশন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং নদী শাসনের সুবিধা প্রকল্পের অন্যান্য উদ্দেশ্য সমূহের মধ্যে অন্যতম ।

বাস্তবায়নোত্তর সুফলঃ

ক) সেচঃ প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল হতে সেচ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। পরবর্তী পর্যায়ে সেচ সুবিধা প্রদান বৃদ্ধি পায়। বিগত ২০০৮–২০০৯ সালে খরিফ-১ মৌসুমে ৪৬,৫৯১ হেক্টর, খরিফ-২ মৌসুমে ৭৪,৪৫০ হেক্টর এবং রবি মৌসুমে ১১৩২৩ হেক্টর জমিতে  সেচ প্রদান করা হয়। খরিফ-১/খরিফ-২ মৌসুমে ক্রমান্বয়ে পূর্ণ লক্ষ্যমাত্রা (৯১,২২৬ হেক্টর) অর্জন করা সম্ভব। বর্তমানে সেচ কার্যক্রম চলমান আছে।

(খ) বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিস্কাশনঃ ১,৫৪,০০০ হেক্টর এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিস্কাশন উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে।

(গ) উৎপাদন মূলকঃ প্রকল্পের পূর্বাবস্থায় বিভিন্ন ফসলের মোট বার্ষিক উৎপাদন ছিল ৪,৭৬,৮১৮মেঃ টন যার বর্তমান মূল্য ৫৭২.১৮ কোটি টাকা। প্রকল্পের পূর্ব অবস্থার তুলনায় ১৯৯৩ হতে ২০০৮ সাল পর্যন্ত গড়ে ধানসহ অন্যান্য শস্যের বাড়তি বার্ষিক উৎপাদনের পরিমান ছিল ৯,৬০,৩২০ মেঃটন, যার মূল্য ১,১৫২.৩৮ কোটি টাকা। প্রকল্পের পূর্বাবস্থায় এতদাঞ্চলে ছিল প্রকট খাদ্য ঘাটতি। কিন্তু বর্তমানে প্রকল্প এলাকাটি খাদ্যে উদ্বৃত্ত। প্রকল্পটি ১৯৯৮ সালে সমাপ্তির পর ফসলের নিরিড়তা ১৮০% হতে পর্যায়ক্রমে ২৩০% এ উন্নীত হয়েছে। প্রকল্প সমাপ্তির কাল হতে ২০০৭–২০০৮ সাল পর্যন্ত বাড়তি ফসল (ধান, গম, সবজি ইত্যাদি) উৎপাদন খাতে গড়ে বার্ষিক ১,১৬১.৫২ কোটি টাকা লাভের খতিয়ান নিম্নে ছকে উদ্ধৃত করা হলোঃ–

      বৎসর                      বার্ষিক বাড়তি ফসল উৎপাদন (মেঃটন)                মূল্য (লক্ষ্ টাকায়)

২০০১–২০০২                            ৬,৫১,৯৬৫                                             ৭৮,২৩৫.৮০

২০০২–২০০৩                             ৭৩৩,৮১২                                              ৮৮,০৫৭.৪৪

২০০৩–২০০৪                              ৮৫৯,৫০০                                             ১০৩,১৪০.০০

২০০৪–২০০৫                              ১০৯৮,৪১২                                            ১৩১,৮০৯.৪৪

২০০৫–২০০৬                              ১২১৬,২৮২                                            ১৪৫,৯৫৩.৮৪

২০০৬–২০০৭                              ১১৪০.৯৭৭                                            ১৩৬,৯১৭.২৪

২০০৭–২০০৮                              ১০৭৪,৫৬৯                                            ১২৮,৯৪৮.২৮

গড়                                          ৯৬৭,৯৩১                                              ১১৬,১৫১.৭২

(ঘ) কৃষিঃ–কৃষিক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রাখা ছাড়াও প্রকল্পে নিজস্ব গবেষনার অংশ হিসাবে স্থাপন করা হয়েছে মহিপুর সেচ পরীক্ষা খামার। সেখানে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের সাথে সামঞ্জস্য রেখে  সম্পূরক সেচ ও খরা নির্ভর সম্ভাব্য ফসলের উপর বিভিন্ন গবেষনা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

(ঙ) আয় ও কর্মসংস্থান মূলকঃ প্রকল্প বাস্তবায়ন কালে ৪৯.৭ মিলিয়ন শ্রম দিবসের কর্ম সংস্থান হয়। ফসলের নিবিড়তা, উৎপাদন বৃদ্ধি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওযায় প্রতি বৎসর কৃষিক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০.০০ মিলিয়ন শ্রম দিবসের কর্ম সংস্থান হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় উন্নত কৃষি উৎপাদন প্রক্রিয়ার সংগে সংগে আয় ও কর্মসংস্থান যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। জনগনের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, কৃষি ভিত্তিক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, বাসা বাড়ী, হাট বাজার, কলকারখানা, ব্যবসা-বানিজ্য, যোগাযোগ, পরিবহন, এনজিওতে কর্মসংস্থান, বাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতাদি ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

(চ) বনায়নঃ ক্যানেল ডাইকের উভয় পার্শ্বে এবং অবকাঠামো এলাকায় জুন'২০১০ পর্যন্ত প্রায় ৬,০০,০০০  বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে যা প্রকল্প এলাকায় সবুজের সমারোহ ও উন্নত পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

ছ) মৎস্য ও পোলট্রিঃ প্রায় ১৫০ কিলোমিটার প্রধান ও সেকেন্ডারী খাল, ৩৮০ কিলোমিটার প্রধান নিষ্কাশন খাল এবং সিল্ট ট্রাপের মাধ্যমে প্রায় ১৫ হেক্টর জলাশয় সৃষ্টি হয়েছে। ফলে মাছ ও হাঁস পালনের অবাধ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

(জ) উন্নয়নে নারীঃ আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোতে শস্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়া জাত করনে নারীগণ বিশেষ ভূমিকা পালন করে। প্রকৃত পক্ষে এ প্রকল্পে ভূমিহীন বিধবা, দরিদ্র ও দুঃস্থ মহিলাদের কর্মসংস্থানের বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

(ঝ) যোগাযোগঃ ৬৪৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সেচ খালের উভয় পাড়ের ১২৯৮ কিলোমিটার ক্যানেল ডাইক প্রত্যন্ত এলাকার গ্রামীন রাস্তা হিসাবে ব্যবহ্নত হচ্ছে। প্রায় ১০০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা প্রকল্প এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে।

(ঞ) পরিবেশঃ নদী এবং সিল্ট ট্রাপের রিজার্ভার ও ক্যানেলের জলাশয় সবুজ ক্ষেত এবং ক্যানেল ডাইকের বনায়ন পরিবেশের উপর ধনাত্মক প্রভাব ফেলেছে। বৃদ্ধি পেয়েছে ভূ–গর্ভস্থ পানির স্তর। ফলে গাছ–গাছালি উৎপন্ন হয়ে উত্তরাঞ্চলের বিশাল এলাকা মরুকরনের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে বিশাল শস্য ভান্ডারে পরিনত হয়েছে এবং হচ্ছে।

(ট) পর্যটন ও বিনোদনঃ তিস্তা ব্যারেজের অতুলনীয় সৌন্দর্য এবং এখানকার ফুল বাগান, নদীর পুরাতন গতি পথ, সিল্ট ট্রাপ ইত্যাদি পর্যটক ও ভ্রমন পিপাসু মানুষকে আকৃষ্ট করে থাকে। ব্যারেজের সম্মুখে বিশাল জলরাশি, সাইবেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশ হতে আগত অতিথি পাখিদের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্রের সৃষ্টি করেছে। এখান থেকেই শরৎ/হেমন্তের বরফাচ্ছন্ন কাঞ্চনজংঘা পর্বতশৃঙ্গ দৃশ্যমান হয়। প্রকৃতির এহেন সৌন্দর্য উপভোগের জন্য প্রতিদিন এখানে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটে।

 

বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পঃ

এ প্রকল্পটি নীলফামারী জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলায় অবস্থিত । বুড়িতিস্তা নদীটি ভারত থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশ অংশে নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলাধীন গোমনাতী ইউনিয়ন হতে  ৩৫.০০ কিলোমিটার ভাটিতে জলঢাকা উপজেলাধীন শৌলমারী ইউনিয়নের তিস্তা নদীতে পতিত হয়েছে। বুড়িতিস্তা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণ করে পানির সমতল বৄদ্ধিকরণ ও প্রবাহ নিয়ন্ত্রণপূর্বক প্রধান খাল ও শাখা খালের মাধ্যমে গ্রাভিটি ইরিগেশন পদ্ধতিতে নীলফামারী জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলায় সম্পূরক সেচ প্রদান  নিশ্চিত করার ফলে উচ্চ ফলনশীল আমন চাষের সুযোগ সৄষ্টি হয় । মূল প্রকল্পটি ১৯৫৭ সালে শুরু হয় এবং ১৯৬৭ সালে ব্যারেজের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয় । অন্যান্য কিছু অবকাঠামো নির্মাণ কাজ ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত চলে । প্রকল্প বাস্তবায়ন সময়ে আওতাভুক্ত এলাকা ছিল ১১৮৮০ হেক্টর এবং সেচযোগ্য এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০১২১ হেক্টর । বর্তমানে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের অন্তর্গত অনেক এলাকা তিস্তা প্রধান খাল ও দিনাজপুর খালের আওতায় চলে আসার ফলে প্রকল্পের আওতাভুক্ত এলাকা দাঁড়িয়েছে ৩১৫৮ হেক্টর এবং সেচযোগ্য এলাকার পরিমাণ ২২৩২ হেক্টর ।

 

বুড়িতিস্তা বাম ও ডান বন্যা বাঁধ প্রকল্পঃ

বুড়িতিস্তা নদীর ভাঙ্গন এবং উভয় তীরের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলী জমি, বসতবাড়ি, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ইত্যাদি বন্যার কবল থেকে রক্ষাকল্পে ১৯৮০ সালে এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয় এবং ১৯৮১  সালে বাস্তবায়িত হয় । এ প্রকল্পটি নীলফামারী জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলায় অবস্থিত । প্রকল্পের আওতায় বুড়িতিস্তা নদীর বাম ও ডান পাড়ে যথাক্রমে ১১.৮৬ কিঃমিঃ ও ১১.৮৬ কিঃমিঃ বাঁধ নির্মাণ করা হয়। পানি নিষ্কাশনের জন্য উভয় খালের উপর  মোট ৬টি রেগুলেটর নির্মাণ করা হয়। নদী ভাঙ্গন ও বন্যার কবল হতে এলাকার ফসলী জমি, বসতবাড়ি, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ইত্যাদি রক্ষাকল্পে প্রতিবছর স্থায়ী/অস্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয় ।

গণপুর্ত বিভাগ, নীলফামারীর প্রকল্পঃ

১. নীলফামারী  টি টি সি  ভবন নির্মান কাজ ।

২.নীলফামারী মুক্তি যোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ কাজ।

 

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পঃ

 

১।  সরকারী বেসরকারী মাধ্যিমক বিদ্যালয় সমূহে একাডেমিক ভবন নির্মাণ  উন্নয়ন শীর্ষক  প্রকল্প ।

২। সরকারী বেসরকারী মাদ্রাসা সমূহে একাডেমিক ভবন নির্মাণ  উন্নয়ন শীর্ষক  প্রকল্প ।

৩।  সরকারী বেসরকারী মাধ্যিমক বিদ্যালয় সমূহে একাডেমিক ভবন নির্মাণ উন্নয়ন শীর্ষক  প্রকল্প ।

এল জি ই ডি অফিসের প্রকল্পঃ

১. পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত কর্মসূচী প্রকল্প

২. অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রামীণ সড়ক ও হাট/বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।

৩. অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ন পলস্নী অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প

৪. পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন (জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ যোগাযোগ এবং হাট বাজার উন্নয়ন ও পূর্ণবাসন) শীর্ষক প্রকল্প-১ম খন্ড

৫. পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন (জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ যোগাযোগ এবং হাট বাজার উন্নয়ন ও পূর্ণবাসন) শীর্ষক প্রকল্প-২য় খন্ড

৬. জনগুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প

৭. উপজেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প

৮. উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে পোর্টেবল ষ্টীল ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্প

৯. ইউনিয়ন সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প

১০. নীলফামারী  অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প

১১. দ্বিতীয় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প

১২. উপজেলা/ইউনিয়ন সড়ক, সেতু/কালভার্ট নির্মান/পূনঃ নির্মান শীর্ষক প্রকল্প(সওজ হইতে স্থানামত্মরিত)

১৩. উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে দীর্ঘ সেতু নির্মাণ প্রকল্প

১৪. সেতু/কালভার্ট এপ্রোচ রোড উন্নয়ন প্রকল্প

১৫. উপজেলা নির্বাচন অফিস নির্মান প্রকল্প

ছবি